সংরক্ষণ করা হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন...
logo আমাদের চরাঞ্চল
আমাদের চরাঞ্চল
অতিথি হিসেবে দেখছেন
হোম সকল সেবা মতামত সতর্ক ভার্তা ডেভেলপার সম্পর্কে ফেসবুক গ্রুপ সেটিংস লগইন / রেজিস্ট্রেশন
নাম
এক নজরে নালিতাবাড়ী উপজেলা
শিরুনাম
নালিতাবাড়ী উপজেলার সকল তথ্য দেখুন ...........
বিস্তারি
নালিতাবাড়ী উপজেলার পরিচিতি

নালিতাবাড়ী উপজেলা শেরপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। উপজেলাটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। শেরপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে গারো পাহাড়ের পাদদেশে নালিতাবাড়ী উপজেলা অবস্থিত।

বর্তমানে ১টি পৌরসভা, ১২টি ইউনিয়ন, ১০৮টি মৌজা ও ২০৫টি গ্রাম নিয়ে নালিতাবাড়ী উপজেলা গঠিত।

আয়তন ও জনসংখ্যা

মোট আয়তন: ৩২৭.৬১ বর্গ কিলোমিটার
লোকসংখ্যা (২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী): ২,৫২,৯৩৫ জন
পুরুষ: ১,২৮,৯৬৩ জন
মহিলা: ১,২৩,৯৭২ জন

ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা

উত্তরে: ভারতের মেঘালয় রাজ্য
দক্ষিণে: শেরপুর সদর ও নকলা উপজেলা
পূর্বে: ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলা
পশ্চিমে: ঝিনাইগাতী উপজেলা

ভারতের সঙ্গে নালিতাবাড়ী উপজেলার মোট সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৫ কিলোমিটার।

প্রশাসনিক কাঠামো

পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ১২টি
মৌজা: ১০৮টি
গ্রাম: ২০৫টি

ভূমি ও কৃষি

মোট জমির পরিমাণ: ৮১,৪৪৩.৩৩৬ একর
কৃষি জমির পরিমাণ: ৬৬,৫৫৭.৩২৬ একর

নালিতাবাড়ী উপজেলার অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ অঞ্চলে বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। স্থানীয়ভাবে পাটের ব্যাপক উৎপাদনের কারণে উপজেলার নামকরণের সঙ্গেও ‘নলিতা’ বা পাটের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা যায়।

উল্লেখযোগ্য নদী

কংশ নদী
ভোগাই নদী

কংশ ও ভোগাই নালিতাবাড়ী উপজেলার অন্যতম প্রধান নদী।

নামকরণের ইতিহাস

নালিতাবাড়ী নামটি ‘নলিতা’ শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে। ‘নলিতা’ শব্দের অর্থ পাট। এ অঞ্চলে একসময় ব্যাপকভাবে পাট উৎপাদিত হতো। পাটের স্থানীয় নাম ‘নলিতা’ হওয়ায় এ উপজেলার নাম নালিতাবাড়ী হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

ঐতিহাসিক ঘটনা

নালিতাবাড়ী উপজেলার রয়েছে সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক পটভূমি।

১৯৩৭ সালে অবিভক্ত ভারতে নালিতাবাড়ী উপজেলায় কৃষক বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। পরবর্তীতে তেভাগা আন্দোলনেও এ অঞ্চলের মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তেভাগা আন্দোলনে সাচী রায় নিহত হন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধেও নালিতাবাড়ী উপজেলার মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাজমুল আহসান চেল্লাখালী খালের নিকট শহীদ হন।

আদিবাসী জনগোষ্ঠী

নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। উল্লেখযোগ্য জনগোষ্ঠীগুলো হলো—

গারো
হাজং
কোচ
ঢালু

তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারা নালিতাবাড়ীর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।

দর্শনীয় স্থান

নালিতাবাড়ী উপজেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে।

রাবার ড্যাম
মধুটিলা ইকো পার্ক
পানিহাতা
বারুয়ামারী মিশন

বিশেষ করে গারো পাহাড়ের পাদদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশ, মধুটিলা ইকো পার্ক ও পানিহাতার সৌন্দর্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব

নালিতাবাড়ী উপজেলার অর্থনীতিতে কৃষির পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রমও গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের সঙ্গে সীমান্তবর্তী হওয়ায় নাকুগাঁও স্থলবন্দর এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নাকুগাঁও স্থলবন্দরের মাধ্যমে সীমান্ত বাণিজ্য পরিচালিত হয় এবং এটি স্থানীয় অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

নালিতাবাড়ী এক নজরে

জেলা: শেরপুর
প্রতিষ্ঠা: ১৯৮৩ সাল
জেলা সদর থেকে দূরত্ব: প্রায় ২৫ কিলোমিটার
অবস্থান: গারো পাহাড়ের পাদদেশ
পৌরসভা: ১টি
ইউনিয়ন: ১২টি
মৌজা: ১০৮টি
গ্রাম: ২০৫টি
মোট আয়তন: ৩২৭.৬১ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা (২০০১): ২,৫২,৯৩৫ জন
পুরুষ: ১,২৮,৯৬৩ জন
মহিলা: ১,২৩,৯৭২ জন
সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ১৫ কিলোমিটার
প্রধান নদী: কংশ ও ভোগাই
মোট জমি: ৮১,৪৪৩.৩৩৬ একর
কৃষি জমি: ৬৬,৫৫৭.৩২৬ একর
প্রধান স্থলবন্দর: নাকুগাঁও স্থলবন্দর
উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান: মধুটিলা ইকো পার্ক, পানিহাতা, রাবার ড্যাম ও বারুয়ামারী মিশন।
14-08-2026
হোম সকল সেবা অভিযোগ নোটিশ প্রোফাইল